প্রকাশিত : মঙ্গলবার , ২৪ মার্চ ২০২৬ , দুপুর ০২:৪২।। প্রিন্ট এর তারিখঃ শনিবার , ২৮ মার্চ ২০২৬ , রাত ০৯:৪৫

কাউনিয়ায় তিস্তা রেল ও সড়ক সেতুতে বিনোদন প্রেমি মানুষের উপচেপড়া ভীর!


কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধিঃ  কাউনিয়া উপজেলার তিস্তা সড়ক সেতু ও দেশের তৃতীয় বৃহত্তম রেল সেতু পাড়ে ঈদুল ফিতরে বিনোদন প্রেমি মানুষের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যনীয়।   বিনোদন প্রেমি মানুষেরা ঘর থেকে বের হয়ে মুক্ত বিহঙ্গের মতো ডানা মেলে ছুটে আসে তিস্তা রেল সেতু ও সড়ক সেতু পাড়ে । ঈদুল ফিতরের  দিন আকাশ মেঘলা থাকার কারণে  লোকজনের উপস্থিতি একটু কম থাকলেও ঈদের পরদিন রোববার, তৃতীয় দিন  সোমবার  ও চতুর্থ দিন মঙ্গলবার থেকে টানা ৩ দিন সেতু পাড়ে বিনোদন প্রেমি মানুষের উপচে পড়া ভীর ছিল দেখার মত। শিশু, তরুন,যুবক-যুবতী সহ বৃদ্ধ-বৃদ্ধারাও নির্মল বাতাসে বুক ভরে শ্বাস নিতে ও একটু বিনোদনের জন্য  সেতু পাড়ে ছুটে গিয়ে ভীর জমায়। মঙ্গলবার দুপুরে সেতু পাড়ে গিয়ে দেখা গেছে ঈদ ফিতর কে ঘিরেম গড়া ওঠা অস্থায়ী খাবার দোকান সহ নানা খেলনা প্রসাধণীর দোকানে ক্রেতাদের ভীর করতে দেখা যায়। বাড়তি নিরাপত্তার জন্য  পুলিশ বাহিনীর কিছু সদস্য উপস্থিত থাকলেও তাদের দায়িত্ব পালন ছিল ঢিলেঢালা। রংপুর-কুড়িগ্রাম মহাসড়কে তিস্তা সড়ক সেতুর উপর দর্শনার্থীরা দাঁড়িয়ে থাকায় নির্বিঘ্নে যানবাহন চলাচলে ব্যাঘাতের সৃষ্টি হয়।  সকাল থেকে সূর্য ডোবার আগ মূর্হত পর্যন্ত বিনোদন প্রেমি মানুষেরা নদী পাড়ে হাটাহাটি,জেলেদের মাছ ধরা ও পান কৌড়ি,সাদা বকের উড়াউড়ির দৃশ্য অবলোকন করতে দেখা যায়  এবং নদীতে নৌকা ভ্রমণ করে সময় কাটায় দর্শনার্থীরা।  রেলওয়ে ও সড়ক সেতু দুটি পাশাপাশি হওয়ায় বিনোদন প্রেমি মানুষের এ স্থান টি সব চেয়ে পছন্দের। তাই এখানে বিপুল পরিমাণ  লোকজনের উপস্তিতে এক অন্য রকম দৃর্শ্যর সৃষ্টি হয়।  বিভিন্ন জেলার মানুষ ঈদুল ফিতর,ঈদুল আযহা,হিন্দু সম্প্রদায়ের দূর্গা পূজা, পহেলা বৈশাখ সহ বিভিন্ন উৎসবে তিস্তা সড়ক ও রেল সেতু পাড়ে  ছুটে আসে।

সেতু পাড়ে ঘুরতে আসা মিনহাজুল ইসলাম মুকুল বলেন এ উপজেলায় বিনোদনের জন্য তেমন কোন ভাল স্থান না থাকায় বিনোদন প্রেমি মানুষেরা বিভিন্ন উৎসবে এখানে ছুটে আসে আমরা এলাকাবাসীরা চাই  তিস্তা সেতুর দক্ষিণ পাড়ে পর্যটন শিল্পের আওতায় একটি হাইটেক পার্ক গড়ে তোলা হোক। যেখানে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে অন্য দিকে বিনোদন প্রেমি মানুষেরা একটু আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন।