প্রকাশিত : শনিবার , ২৭ জুন ২০২৬ , রাত ১২:০৭।। প্রিন্ট এর তারিখঃ শনিবার , ২৭ জুন ২০২৬ , রাত ০৩:৫১

কাউনিয়ায় দিনব্যাপী পার্টনার কংগ্রেস: পুষ্টি ও সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হবে কৃষি


জহির রায়হান কাউনিয়া (রংপুর) প্রতিনিধিঃ খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পুষ্টিহীনতা দূরীকরণ, গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় কৃষিকে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে রংপুরের কাউনিয়ায় অনুষ্ঠিত ‘পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬’-এ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে  উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়। ‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)’ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পাপিয়া সুলতানা, এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া আক্তার, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, রংপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ সিরাজুল ইসলাম,

বিশেষ অতিথি ছিলেন কর্মসূচির সিনিয়র মনিটরিং অফিসার অশোক কুমার রায়, উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা রানী রায়, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আবু সায়েদ, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা এ এইচ এম তারিকুল শরীফ, উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুস সালাম সরকার এবং কৃষি সমিতির সাধারণ সম্পাদক রবীন্দ্র নাথ রায়। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষক প্রতিনিধি, নারী উদ্যোক্তা, সমবায় সংগঠক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, কৃষি শুধু খাদ্য উৎপাদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি পুষ্টি নিশ্চিতকরণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থা, পুষ্টিসমৃদ্ধ ফসল উৎপাদন, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

তারা আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় কৃষকদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি জরুরি। এ লক্ষ্যে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ, কৃষকদের প্রশিক্ষণ এবং উদ্যোক্তা উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কৃষিকে লাভজনক ও টেকসই খাতে পরিণত করতে কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা সৃষ্টির কোনো বিকল্প নেই।

কংগ্রেসে বক্তারা কৃষিকে পুষ্টি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও জলবায়ু সহনশীলতার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং কৃষকদের প্রযুক্তিনির্ভর ও বাজারমুখী উৎপাদন ব্যবস্থার সঙ্গে আরও সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।