প্রিন্ট ভিউ
স্টাফ রিপোর্টার, ফরিদপুর: বাবার কবর জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনি প্রচার শুরু করেছেন ফরিদপুর-১ আসনের (আলফাডাঙ্গা-বোয়ালমারী-মধুখালী) জাহাজ প্রতিকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আরিফুর রহমান দোলন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে আলফাডাঙ্গার কামারগ্রামে বাবা ওবায়দুর রহমানের কবর জিয়ারত করেন তিনি। এ দিন আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী ও মধুখালীর বিভিন্ন জায়গা থেকে সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে কামারগ্রামে দোলনের বাড়িতে। সেখানে তিনি সমবেত কর্মী-সমর্থকের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। এরপর বাড়িতে দোয়া ও বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
এবার দোলন জাহাজ প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এর আগে বুধবার বিকালে ফরিদপুরের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জাহাজ প্রতীক বরাদ্দ পান তিনি।
এ দিকে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনী এলাকা আলফাডাঙ্গার চরডাঙ্গা বাজার, পানাইল বাজার, গোপালপুর বাজার, মালা-বড়বাগসহ আশপাশে গণসংযোগ করেন তিনি। দোলনকে কাছে পেয়ে এসময় সাধারণ ভোটার ও স্থানীয়রা ব্যাপক উৎসাহ প্রকাশ করেন। তিনি স্থানীয়দের বলেন, ‘জনগণের সেবা করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছি। সবাই মিলে জাহাজ প্রতিকের জয় নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচার চালাতে পারবেন ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা পর্যন্ত। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দোলন ৮৪ হাজার ৯৮৯ ভোট পেয়েছিলেন। স্থানীয় পর্যায়ে তার রয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা। তিনি সাংবাদিকতায় যুক্ত; বর্তমানে ঢাকটাইমস পত্রিকা ও সাপ্তাহিক এই সময়ের সম্পাদক।
কর্মজীবনে আরিফুর রহমান দোলন আমাদের সময় পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন–এর উপসম্পাদক এবং প্রথম আলোর ডেপুটি চিফ রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি তিনি বাংলাভিশন টেলিভিশনেও কাজ করেছেন। দোলন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য।
সমাজসেবামূলক সংস্থা কাঞ্চন মুন্সী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান দোলন। তিনি সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে একটি মানবিক ও দায়িত্বশীল সংগঠন হিসেবে ফাউন্ডেশনটিকে পরিচিত করে তুলেছেন। তার নেতৃত্বে ফাউন্ডেশনটি মূলত শিক্ষা, মানবিক সহায়তা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে আসছে।
ফাউন্ডেশনের ব্যানারে সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অসহায় পরিবারকে আর্থিক ও নৈতিক সহায়তা, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান এবং বিভিন্ন সামাজিক দুর্যোগে ত্রাণ বিতরণের মতো কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে স্থানীয় পর্যায়ে দরিদ্র ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীর সমস্যা চিহ্নিত করে সরাসরি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ায় এই ফাউন্ডেশনের অন্যতম লক্ষ্য।