প্রিন্ট ভিউ
স্টাফ রিপোর্টার: মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে গণ ধোলাইয়ে মারা গেছে দুই চোর। আজ বুধবার বেলা ১১ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দুই চোর মারা যায়। এর পূর্বে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে ওই দুই চোর চুরি করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হয়ে তাদের(জনতার) গণপিটুনির শিকার হয়। নিহত দুই চোর হচ্ছে সাগর (৩২) ও সানারুল (৩৪)। তারা উপজেলার গোয়ালী মান্দ্রা বেদে সম্প্রদায়ের লোক।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘ দিণ ধরে লৌহজংয়ের হলদিয়া ইউনিয় ও তার আশে পাশের বাসিন্দারা সিঁধেল বা ছেচড়া চোরের উপদ্রবে অতিষ্ট ছিল। এ নিয়ে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা মিটিংয়ে দীর্ঘ দিন ধরে চোরের উপদ্রপের কথা উত্থাতি হয়ে আসছিল। কিন্তু এলাকাাসী কোন প্রতিকার পাচ্ছিলনা। চোররা একের পর এক বাসা বাড়িতে চুরি করে চলছিল। বাসা বাড়িতে এক ঘর থেকে অন্য ঘরে নেয়া বৈদ্যুতিক সংয়োগ তার এমন কি ঘর থেকে পানির মটরের সংযোগ তার বাথ রুমের ফিটিংস, থানা-বাস, বদনাসহ যা কিছুর তহাতের কাছে পেতে তাই চোররা চুরি করে নিয়ে যেতে। গরু ছাড়লও চুরির ঘটনা ঘটে। আর এসব চুরির মাল বিক্রি করতো উপজেলার বৃহৎ মাদকের আখড়া বলে পরিচিত গোয়ালী মান্দ্রার একটি বিশেষ পল্লীতে। মাদক কেনা বেচাকে কেন্দ্র করেই এখানে চোরাই মালামাল ক্রয় বিক্রয় কেন্দ্র চালু হয়। চোরের অত্যাচারে অতিষ্ট জনগণ কোন প্রকার কুল কিনারা পাচ্ছিলনা।
এলাকাবাসী জানায়, মঙ্গলবার রাতে ওই দুই চোর সাতঘড়িয়ার একটি ক্লিনিকে বৈদ্যুতিক তার চুরি করতে গিয়ে চোরাই তার সহ ধরা পরে। স্থানীয় জনতা তাদের গণ ধোলাই দিলে তারা এলাকার বিভিন্নবাসা বাড়ীতে চুরির কথা স্বীকার করে। পরে বুধবার সকালে স্তানীয়রা চোর দুইজনকে পুলিশের কাছে হস্থান্তর করে। পুলিশ গণধোরাইয়ের শিকার দুই চোরকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দুই চোর মারা যায়।
লৌহজং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম জানান, গণ ধোরাইয়ের শিকার ওই দুই চোর মারা গেছে। তবে এ ব্যাপারের হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুত্তি চলছে। পরে তদন্ত পূর্বকরুথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।