• ঢাকা
  • বৃহঃস্পতিবার , ১৯ মার্চ ২০২৬ , রাত ০২:০৩
ব্রেকিং নিউজ
হোম / সারাদেশ

ঈদের আগে তেলের কারসাজি, বেকারত্বের কষাঘাতে নূজ্য চালকেরা

রিপোর্টার : এস এম রুবেল
ঈদের আগে তেলের কারসাজি, বেকারত্বের কষাঘাতে নূজ্য চালকেরা প্রিন্ট ভিউ

নিজেস্ব: মধ্যপ্রচ্যের যুদ্ধে সারা দেশে তেলের সংকট দেখা দিয়েছে- তবে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ঈদুল ফিতরের আগে তেল একেবারে গায়েব। ইরানের হরমুজ প্রণালী বন্ধের ঘোষণা খবরে ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে সাকী তেলের পাম্পে তেল বেচা বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। এদিয়ে পৌর শহরের কেন্দ্রে নাহার ফিলিং স্টেশনে কিছু দিন জ্বালানী তেল পেলেও পর্যাপ্ত পরিমান পেত না গাড়ির চালকেরা। তবে শনিবার সকাল থেকে পাম্পটি দড়ি টাঙিয়ে একেবারেই তেল বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে।

এ দিকে বাস, ট্রাক,মিনিপিকআপ, মোটরসাইকেল, নছিমনসহ যাবতীয় জ্বালানী চালিত গাড়ি গুলো এসে ফিরে যাচ্ছে। তেল নেই বলে তাদের ফেরত পাঠাচ্ছে পাম্প কতৃপক্ষ।  এদিকে শুধু দুটি পাম্প নয় বরং বোয়ালমারী পৌরসভার ভেতর পাম্পের চেয়েও তিন চারটি দোকান জ্বালানি তেল বিক্রিতে এগিয়ে ছিল। এর ভেতর নিউ মডেল স্কুলের পাশে আতিয়ার ট্রেডার্স, বাজারের ভেতর নাট মন্দির রোডে কৃষি ব্যাংকের সামনে সাধনা ট্রেডার্স, পৌরসভার সামনে সঞ্জায় সাহা ট্রেডার্স, চতুল ইউনিয়ন পরিষদের পাশে মেসার্স ইসলামী ফুয়েল সাপ্লাইয়ার। তবে তিন চারদিন আগে থেকে এ দোকান গুলো তেল বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে। এর ভেতর অনেকে ১২০ টাকা লিটার অকটেন ১৮০-২০০ টাকা ও  ১১৬ টাকা লিটার পেট্রোল বিক্রি করেছে ১৫০ টাকা, ও ১০০ টাকার ডিজেল বিক্রি করেছে ১২৫ টাকা দরে। এদিকে বেশি দামে জ্বালানী তেল বিক্রির দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত আতিয়ার ট্রেডার্সকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। 

উপজেলার ভেতর বিভিন্ন বাজারে জ্বালানী তেল বিক্রি করে। তবে গত দুই দিন শুক্র ও শনিবার জ্বালানি তেল একেবারেই উধাও হয়ে গিয়েছে বাজার গুলো থেকে। তবে অনেকে লুকিয়ে চড়া দামে বিক্রি করছে জ্বালানী তেল।

চালকেরা বলছে পাম্প ও দোকান মালিকরা জ্বালানী তেল পর্যাপ্ত পরিমান রাখলেও তা লুকিয়ে কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে বেশি দামে বিক্রি ধান্দায় রয়েছে। তবে তেলের বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন এখনো কোন দৃশ্য মান পদক্ষেপ নেয়া দেখা যায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন হোলসেলার বলেন, ডিপোতে থেকে শুধু পাম্প গুলো তেল তুলতে পারে। তবে কিছু পাম্প তেল তুলে সেটা ওখান থেকে হোলসেলারদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করে দেয়। ওই হোলসেলার আরেকটু বেশি দামে গ্রাহকের কাছে বিক্রি করে। এভাবেই তেলের কারসাজি চলে। এ সিন্ডিকেট কেউ ভাঙতে পারবেনা। 

বোয়ালমারী সাকী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মধুসূদন সাহা বলেন, আমরা তেলের ডিপো থেকে যে অল্প তেল তুলি। এ কারণে আমাদের সে পরিমান দিয়েছিল। আমরা সব তেল বিক্রি করে দিয়েছি। ৫ মার্চ বৃহস্পতিবার থেকে আমাদের তেল নেই।

নাহার ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার সোহেল আহনেদ বলেন, আমাদের তেল গতকাল শেষ হয়ে গিয়েছে। আজ আমরা তেল ডিপো থেকে উত্তোলন করছি। বিকেল অথবা সন্ধ্যা নাগাদ তেল দিতে পারবো। 

বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রকিবুল হাসান বলেন, দেশে তেলের কোন সংকট নেই। তবে ডিপোতে পাম্প গুলোর একটু কথাকাটা হয়েছে শুনেছি। আজ সন্ধ্যা থেকে পর্যাপ্ত পরিমান জ্বালানী তেল পাবে গ্রাহকরা। আমরা সজাগ রয়েছি। সরকার নির্ধারিত দামের বেশি নিলে তার লাইসেন্স বাতিল করার জন্য যা করার তাই করা হবে।


জাতীয়

অর্থনীতি

সারাদেশ

ধর্ম

আরও পড়ুন