প্রিন্ট ভিউ
সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় ফরিদপুরের সালথায় মো. সহিদুল ইসলাম সোহেল (৪৬) নামের সাবেক এক সেনা সদস্যের ওপর হামলা চালিয়েছে মাদককারবারীরা। হামলার পর আহত সাবেক সেনা সদস্যকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সালথা সদর বাজারে জননী সুপার মার্কেটের দোতলায় সেনা সদস্যের ডায়গনস্টিক সেন্টারে এই হামলা চালানো হয়।
আহত সহিদুল ইসলাম সোহেল উপজেলা সদরের সালথা পাড়ার দাউদ শিকদারের ছেলে। তিনি সালথা ডিজিটাল ডায়গনিস্টিক সেন্টারের পরিচালক ও সাবেক সেনা সদসএছাড়াও তিনি কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর সালথা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক। মাদক বিক্রি ও সেবনে বাধা দেওয়ায় সাবেক সেনা সদস্যের উপর হামলার ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মাঝে হতাশা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এ ঘটনার একটি সিসিটিভির ফুটেজ মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। ফুটেজে দেখা যায়, তিন যুবক সহিদুল ইসলাম সোহেলকে লাঠি দিয়ে পেটাচ্ছে। তখন সে তা ঠেকানোর চেষ্টা করছেন। আরও কয়েকজন তাদের থামানোর চেষ্টা করলেও তারা বেশি উত্তেজিত হয়ে হামলা চালাচ্ছে।
আহত সহিদুল ইসলাম সোহেল বলেন, আমাদের মার্কেটের নিচ তলায় একটি কসমিটিকের দোকানে সামনে বসে মাদক বিক্রি ও সেবন করে নুরু বিশ্বাস। বুধবার সন্ধ্যায় মাদকের সেবনে বাধা দেই এবং মাদক বিক্রি নিষেধ করা নিয়ে নুরুর সাথে কথা কাটাকাটি হয়। পরে মুরব্বীরা বিষয়টি মিমাংসা করে দেন। কিন্তু রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ভাওয়াল গ্রামের আলী বিশ্বাসের ছেলে নুরু বিশ্বাস (৩৫), শামীম বিশ্বাস (২৪) ও জামাল মাতুব্বরের ছেলে সোহেল মাতুব্বর (২৩) ও তাদের সহযোগীরা লাঠিসোটা ও পাইপ নিয়ে আমার ক্লিনিকের ভেতর ঢুকে আমার উপর অতর্কিত হামলা করে। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।
ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল নগরকান্দা) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছিল। কিন্তু মাদককারবারীরা হামলা করে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ায় তাদের ধরতে পারেনি। তবে হামলাকারীদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। এ ঘটনায় জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনা হবে।