প্রিন্ট ভিউ
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলা নববর্ষের বর্ণিল আবহে বৈশাখী শুভ হালখাতাকে ঘিরে উৎসবের আমেজে ঝলমলে হয়ে উঠেছে আমিনা জুয়েলার্স। মঙ্গলবার পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটি আয়োজন করে এক গর্জিয়াস ও মনোমুগ্ধকর অনুষ্ঠান, যেখানে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধনে ক্রেতাদের জন্য তৈরি করা হয় এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ।
দোকানজুড়ে ছিল বর্ণিল সাজসজ্জা, আকর্ষণীয় ডিসপ্লে এবং বিশেষ আপ্যায়নের ব্যবস্থা। দিনভর ক্রেতাদের পদচারণায় মুখর ছিল পুরো শোরুম। বৈশাখী আমেজে কেনাকাটার আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দিতে আমিনা জুয়েলার্সের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ সবার নজর কেড়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী খন্দকার আশরাফুল আলম মামুন বলেন, বাংলা নববর্ষ আমাদের সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই বিশেষ দিনটিকে ঘিরে আমরা প্রতি বছরই আমাদের সম্মানিত ক্রেতাদের জন্য কিছু ভিন্ন আয়োজন করার চেষ্টা করি। সকলকে আমিনা জুয়েলার্সের পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
ক্রেতারাও জানিয়েছেন তাদের সন্তুষ্টির কথা। একজন ক্রেতা বলেন, “জুয়েলার্স বলতে আমরা আমিনা জুয়েলার্সকেই বুঝি। এখানে নির্ভরতার সঙ্গে যেকোনো স্বর্ণালংকার কেনা যায়।”
আরেকজনের ভাষায়, “আমার বিয়ে থেকে শুরু করে পরিবারের সব অনুষ্ঠানের গহনা আমরা এখান থেকেই কিনেছি। তাদের মান ও ডিজাইনের উপর আমাদের অগাধ বিশ্বাস।”
আরেক ক্রেতা সংক্ষেপে বলেন, “আমিনা জুয়েলার্স সত্যিই সবার সেরা।”
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, টানা ৩৮ বছরের সুনাম ধরে রাখতে তারা সবসময়ই ক্রেতাদের আস্থা ও সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। বর্তমান বাজারে স্বর্ণে ভেজালের ঝুঁকি থাকলেও, তারা সম্পূর্ণ নির্ভেজাল ও স্বচ্ছতার সাথে ব্যবসা পরিচালনা করছেন।
১৯৮৮ সালে বায়তুল মোকাররমে যাত্রা শুরু করা আমিনা জুয়েলার্স আজ একটি বিশ্বস্ত নাম। শুরুতে যেখানে স্বর্ণের ভরি ছিল মাত্র ৫ হাজার টাকা, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লাখ ৪৮ হাজার টাকায়—সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়েই এগিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
এখানে পাওয়া যায় ২২ ক্যারেট হলমার্ক স্বর্ণ, ডায়মন্ড ও প্লাটিনামের নান্দনিক ও আধুনিক ডিজাইনের গহনা।
বিশ্বস্ততার ৩৮ বছর—ঐতিহ্য, আস্থা ও গুণগত মানের প্রতীক আমিনা জুয়েলার্স।